রুকইয়াহ

পূজার সময় জ্বীন-যাদু রোগীদের করণীয়

হিন্দুদের পূজা চলাকালীন জ্বীন ও যাদু আক্রান্ত রোগীদের কী করা উচিত এবং কতটুকু ভয়ের কারণ আছে — বিস্তারিত আলোচনা।

হিন্দুদের পূজা চলাকালীন জ্বীনদের শক্তি বেড়ে যায় মর্মে বিভিন্নজন যেভাবে অতি ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন — বিষয়টি আদতে অতটাও ভয়ের নয়। সতর্কতা কাম্য ঠিক, কিন্তু অতি ভীতি মোটেই কাম্য নয়


মূল বিষয়

কথিত আছে — হিন্দুদের বারো মাসে তেরো পূজা। তাই পূজার কারণে জ্বীনের শক্তি বৃদ্ধি পেলে, সে সম্ভাবনা সারা বছরই থাকে। শারদীয় দুর্গাপূজায় অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন — এতটুকুই যথেষ্ট।


কাদের সমস্যা বাড়তে পারে?

  • যে সমস্ত রোগীদের হিন্দু জ্বীন আছর করেছে
  • যাদের আল্লাহর নাম ব্যতীত পশু জবাই করে সেই রক্ত, চামড়া ইত্যাদির মাধ্যমে যাদু করা হয়েছে
  • যে যাদুর সাথে সরাসরি শয়তানের সম্পৃক্ততা রয়েছে

তবে আমলের উপরে শক্তভাবে থাকলে নাও বাড়তে পারে।


অতি ভীতি কেন ক্ষতিকর?

যদি মনস্তাত্ত্বিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন, আপনার জ্বীন এই সময়টাতে আপনাকে অনেক ক্ষতি করবে বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন — তাহলে সে অহমিকায় পড়ে সত্যিকারেই ডিস্টার্বের মাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ খুঁজবে।

কিন্তু আপনি যদি তাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে আমলের উপরে মজবুত থাকেন, তাহলে তার যাদুর শক্তি কোনোভাবে বেড়ে গেলেও সে পাত্তা পাবে না।


পূজার সময় করণীয়

  1. নিয়মিত আমলের উপরে থাকুন — পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত
  2. সকাল-বিকাল মাসনুন দোয়া পড়ুন
  3. ঘরে বেশি থাকার চেষ্টা করুন পূজার সময়
  4. রুকইয়াহ শুনুন বেশি করে
  5. আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন

সারকথা: অতিরিক্ত ভয় না পেয়ে আমলের উপরে মজবুত থাকুন। আল্লাহ সবচেয়ে বড় এবং তিনিই সব শক্তির মালিক।