জ্বীন রোগীর শরীর থেকে জ্বীন বের করতে হলে জানতে হবে — কোন কাজে জ্বীন সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। নিচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হলো:
১। জ্বীনের জন্য বদ দোয়া করা
জ্বীনের জন্য সরাসরি বদ দোয়া করলে সে মারাত্মক কষ্ট অনুভব করে।
২। জ্বীন প্রবেশের কারণ সংক্রান্ত আয়াত পড়া
জ্বীন যে কারণে শরীরে প্রবেশ করেছে সে সংক্রান্ত আয়াত বা দোয়া তিলাওয়াত করলে। যেমন— বদনজর, হিংসা, যাদু, জুলুম ও ইশক সংক্রান্ত আয়াত।
৩। জ্বীনের উদ্দেশ্যের বিপরীত আয়াত পড়া
জ্বীন রোগীর শরীরে প্রবেশ করে যে উদ্দেশ্যে সাধন করতে চাইছে — সে সংক্রান্ত আয়াত পড়লে। যেমন বিচ্ছেদ করানো উদ্দেশ্যে থাকলে মহব্বতের আয়াত পড়লে সে মারাত্মক কষ্ট পাবে।
৪। জ্বীনের সৃষ্টিগত রূপ সংক্রান্ত আয়াত
এমন আয়াত পড়লেও জ্বীন বেশ কষ্ট পায় যেখানে জ্বীনের সৃষ্টিগত ধরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেমন:
- কুকুর জ্বীনের জন্য: আসহাবে কাহাফের কুকুর সংক্রান্ত আয়াত
- সাপ জ্বীনের জন্য: মূসা (আ.) এর লাঠি সাপ হওয়ার আয়াত
- পাখি জ্বীনের জন্য: সূরা ফিলসহ পাখি সংক্রান্ত আয়াত
৫। শয়তান ও জ্বীনকে সম্বোধন করা আয়াত পড়া
শয়তান, ইবলিস ও জ্বীনকে সম্বোধন করা হয়েছে — এমন সব আয়াত পড়লে জ্বীন বেশ কষ্ট পায়। পাশাপাশি জাহান্নামের শাস্তি বিষয়ক আয়াতও কার্যকর।
৬। রুকইয়াহকৃত পানি ছিটানো
রুকইয়াহ চলাকালীন রুকইয়াহকৃত পানি রোগীর শরীরে ছিটিয়ে দিলে শয়তানগুলোর মারাত্মক কষ্ট হয়। সেটা যদি ঠাণ্ডা পানি হয় — কষ্টের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
৭। জ্বীনের ধর্ম সংক্রান্ত আয়াত পড়া
জ্বীন যে ধর্মে বিশ্বাসী তার সামনে সে সংক্রান্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেও সে বেশ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।
পরামর্শ: উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে নিয়মিত রুকইয়াহ করতে থাকুন। আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন এবং হালাল জীবনযাপন করুন।