বদনজর

বাচ্চাদের রুকইয়াহ

শিশুরা বদনজরে বেশি আক্রান্ত হয় — ৬টি লক্ষণ এবং সূরা ফালাক ও নাস দিয়ে রুকইয়াহর সহজ পদ্ধতি।

বড়দের তুলনায় শিশু বাচ্চারা বদনজরে বেশি আক্রান্ত হয়। এবং এদের বেশিরভাগ প্যারানরমাল সমস্যাই বদনজর কেন্দ্রিক।


বাচ্চার বদনজরের ৬টি লক্ষণ

১. হঠাৎ করেই মায়ের বুকের দুধ বা খাবার না খাওয়া ২. অনবরত অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করা ৩. দিব্যি সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ করেই নেতিয়ে পড়া ৪. হুট করেই স্বাস্থ্যহানি হওয়া ৫. হুট করেই গায়ের রং পরিবর্তন হয়ে কালো হয়ে যাওয়া ৬. জেদ বেড়ে যাওয়া


করণীয়

আল্লাহ চাইলে এর চিকিৎসা খুবই সহজ। আল্লাহর কালামের উপর পূর্ণ বিশ্বাস ও ভরসার সাথে নিচের পরামর্শ ফলো করলে দ্রুত সমস্যা দূর হবে — ইনশাআল্লাহ।


১. সূরা মুআওয়াযাতাইন পড়ে ফুঁ দেওয়া

হাদিস — আবূ সাঈদ (রা.) বলেন:

“রাসূলুল্লাহ (সা.) মুআওয়াযাতাইন (সূরা ফালাক ও নাস) নাযিল হওয়া পর্যন্ত জিন ও মানুষের বদনজর থেকে আশ্রয় চাইতেন। যখন সূরা দু’টি নাযিল হলো এই দু’টিকেই গ্রহণ করলেন এবং অন্যগুলো পরিত্যাগ করলেন।” সুনানে তিরমিযী — ২০৫৮

আমলের পদ্ধতি:

  • সূরা ফালাক এবং নাস প্রতিটি তিনবার করে পাঠ করুন
  • হালকা থুথুসহ বাচ্চার গায়ে ফুঁ দিন
  • সকাল-বিকাল নিয়মিত করুন

২. বদনজরের মাসনুন দোয়া পড়া

أُعِيذُكَ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ

উঈযুকা বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাহ, মিন কুল্লি শাঈত্বনিন ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ। (একটি ছেলে বাচ্চার জন্য)


বিঃদ্রঃ বাচ্চা যদি নিজে পড়ার উপযুক্ত হয় — সে নিজে সূরা ফালাক ও নাস তিনবার পড়ে উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীর মুছে নিতে পারে।