“আর আমি কুরআন নাযিল করি যা মু’মিনদের জন্য সুচিকিৎসা ও রহমত।” (সূরা বনী ইসরাঈল, ৮২)
আয়াতটিতে কুরআনকে শারীরিক বা আত্মিক কোনটির সাথে নির্দিষ্ট না করে ব্যাপকভাবে ‘শিফা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে — এটি ইঙ্গিত করে যে কুরআনে উভয় রোগের নিরাময় রয়েছে।
কোন রোগে কোন আয়াত?
কুরআনের যেকোনো আয়াতই সকল রোগের জন্য আরোগ্য। তবে:
যে রোগের আরোগ্যের নিয়তে পাঠ করা হবে — যে আয়াতে তদসংশ্লিষ্ট আলোচনা আছে — সেই আয়াতগুলো উক্ত রোগে বেশি ইফেক্টিভ।
উদাহরণ:
- যাদু নষ্টের জন্য → যাদু সংক্রান্ত আয়াত
- হিংসার প্রভাব দূরে → হিংসা সংক্রান্ত আয়াত
- জ্বীনকে কষ্ট দিতে → জাহান্নাম ও আগুন সংক্রান্ত আয়াত
গুরুত্বপূর্ণ নোট
ওষুধ সেবন করা সুন্নাহ — এটি তাওয়াক্কুলের বিরুদ্ধ নয়।
সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও সেগুলোর উপর ভরসা না করে আল্লাহর দিকে মুখাপেক্ষী হওয়াটাই তাওয়াক্কুলের মূল শিক্ষা।
অতএব, রুকইয়াহর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসাও গ্রহণ করুন।