কুরআন তিলাওয়াত করতে জানা সত্ত্বেও জ্বীন-যাদুর চিকিৎসায় কেবলমাত্র রুকইয়াহর অডিওর উপরে ডিপেন্ড করা —
আর তিলাওয়াত না করে কুরআনের আয়াত লিখে তাবিজ বানিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রাখা —
একই কথা। দুয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
একটা আদি ভার্সন, আরেকটি ডিজিটাল।
অডিও-নির্ভরতার সমস্যা
অপারগতার ক্ষেত্রে দুটোই বৈধ — তবে কোনোটাই মূল চিকিৎসা নয়; বরং বিকল্প ব্যবস্থা।
যে কারণে কুরআনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় পারতপক্ষে উভয়টাই নিরুৎসাহিত করা হয়।
অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়
ফোরজির এ যুগে:
- ইউটিউব দেখে বার্গার বানানো শেখা যায়
- কোর্স করে স্পোকেন ইংলিশে পণ্ডিত হওয়া যায়
- অনলাইনে এসইও, ওয়েব ডিজাইনিং, কোডিং শেখা যায়
কিন্তু কুরআনের চ্যাপ্টার আসলেই — “আমি তো কুরআন পড়তে পারি না!”
এই অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। কুরআন শেখার প্রচুর অনলাইন ও অফলাইন সুযোগ আছে। নিজে তিলাওয়াত করাই হচ্ছে মূল রুকইয়াহ চিকিৎসা।