খুঁটির সাথে হাত-পা বাঁধা চোরকে যতই পিটুনি আর শাস্তি দেওয়া হোক — সে যেমন ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে পারে না, তেমনি যাদুর অদৃশ্য গিঁট দিয়ে রোগীর শরীরে বেঁধে দেওয়া জ্বীন-শয়তানকেও যতই আযাবের রুকইয়াহ করা হোক না কেন — শাস্তি পেয়েও সে বের হতে পারে না।
নৌকার উপমা
নোঙর ফেলা নৌকাকে প্রবল বাতাসও ভাসিয়ে নিতে পারে না। অপরদিকে নোঙর বিহীন নৌকা তার চেয়েও ছোটো আরেকটি ডিঙি নৌকার ঢেউতেও আপন স্থানে টিকে থাকতে পারে না।
ঠিক তেমনি:
- জ্বীনেরা রোগীর আমলের ঢেউয়ের মোকাবেলায় শরীরে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে যাদুর নোঙর (গিঁট) ফেলে।
- নোঙর না তুলেই মাসের পর মাস রুকইয়াহ করা মানে পরিশ্রম বৃথা।
- অপরদিকে শয়তান দিনে দিনে তার অস্তিত্ব আরো মজবুত করতে থাকে।
সমাধান — গিঁট নষ্টের রুকইয়াহ
চোরকে বের করতে হলে আগে তার বাঁধন খুলতে হবে।
একইভাবে জ্বীনকে শরীর থেকে বের করতে হলে প্রথমে যাদুর গিঁট নষ্ট করতে হবে।
যাদের গিঁট নষ্টের রুকইয়াহ প্রয়োজন:
- যাদের জ্বীন রুকইয়াহর সময় মারাত্মক ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে
- অহংকার দেখায় এবং সহজে বের হচ্ছে না
- দীর্ঘদিন রুকইয়াহ করেও কোনো উন্নতি নেই
করণীয়
✅ টানা কয়েক সপ্তাহ গিঁট নষ্টের অডিও শুনুন।
✅ রাক্বীর পরামর্শ নিন।
✅ যথাসাধ্য বেশি বেশি সূরা ফালাক পড়ুন।