যাদু

বন্ধ্যাত্ব! এ দায় কার?

বন্ধ্যাত্বের জন্য একচেটিয়া স্ত্রীকে দোষারোপ করা অজ্ঞতা — পরিসংখ্যান, ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আধ্যাত্মিক ডায়াগনোসিস।

‘বন্ধ্যাত্ব’ একটি ভয়ংকর শব্দ। হাজারো দম্পতির চোখের পানিতে সিক্ত একটি শব্দ। শত শত ডিভোর্সের অন্যতম কারণ। শত সুখের পরেও ‘সুখহীন দাম্পত্য জীবন’ কাটানোর কষ্ট লুকিয়ে আছে এই একটি শব্দের মাঝে।


একচেটিয়া দোষারোপ বন্ধ হোক

পরিতাপের বিষয় হলেও সত্য যে, বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে একচেটিয়াভাবে নারীদেরকেই কেবল দোষারোপ করা হয়।

অথচ পরিসংখ্যান বলছে:

দায়শতকরা হার
শুধু নারী দায়ী৪০%
শুধু পুরুষ দায়ী৪০%
উভয়ই দায়ী১০%
কারণ অজানা১০%

সুতরাং কোনো দম্পতির বাচ্চা না হলে একচেটিয়াভাবে স্ত্রীকে দায়ী করা অজ্ঞতা ও মূর্খতা বৈ কিছু নয়।


পুরুষে বন্ধ্যাত্বের কারণ

পুরুষে বাচ্চা জন্মদানে অক্ষমতার মূল কারণ স্পার্মের ত্রুটি:

  • পর্যাপ্ত পরিমাণ স্পার্ম না থাকা (লো কাউন্টিং)
  • স্পার্ম কম গতিসম্পন্ন হওয়া (মোটিলিটি প্রবলেম)

সঠিক পদক্ষেপ

বাচ্চা না হলে করণীয়:

  1. উভয়েরই ফিজিক্যাল ডায়াগনোসিস করুন (শুধু স্ত্রীকে নয়)
  2. পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ডায়াগনোসিস (রুকইয়াহ শারইয়্যাহর মাধ্যমে পরীক্ষা) করুন
  3. ফকির, কবিরাজ, ওঝা, বৈদ্যর কাছে দৌড়াবেন না — এগুলো ৯৯% ক্ষেত্রে শিরক ও হারাম

মনে রাখুন: কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে পরিচালিত রুকইয়াহ শারইয়্যাহই হচ্ছে একমাত্র বৈধ আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতি।