“(বলুন!) এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই, যাদুর গিঁটে ফুৎকারকারিণীদের অকল্যাণ থেকে।” — সূরা ফালাক: ৪
মাসের পর মাস রুকইয়াহ করেও যাদের শরীর থেকে জ্বীন বের হচ্ছে না এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা অনুভব হয় — বুঝতে হবে আপনার শরীরে যাদুর গিঁট রয়েছে।
যতক্ষণ না উক্ত বাঁধন বা গিঁট খুলতে পারবেন, জ্বীন-শয়তানকে বের হতে বাধ্য করতে পারবেন না।
গিঁট কেন দেওয়া হয়?
যাদুকর যাদু করার পরে যাদুর বস্তুতে গিঁট দিয়ে মন্ত্র পড়ে ফুঁ দেয়। তেমনি রোগীর শরীরে জ্বীন চালান করেও যাদুর গিঁট দেয় — যেন শাস্তির সম্মুখীন হয়ে জ্বীন চাইলেও পালাতে না পারে।
কখনো আবার রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পরে জ্বীন নিজেই যাদুর গিঁট দিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করে।
যাদুর গিঁটের লক্ষণ
✅ মাসের পর মাস রুকইয়াহ করেও কোনো উন্নতি নেই ✅ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা অনুভব হয় ✅ ম্যাসেজ করলে কোনো কোনো জায়গায় অসহনীয় ব্যথা লাগে ✅ জ্বীন রুকইয়াহর সময় মারাত্মক ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে
করণীয় — গিঁট নষ্টের পদ্ধতি
সূরা ফালাক পড়ার নিয়ম
উঠতে, বসতে, খেতে, ঘুমাতে — সারাদিনে যত বেশিবার সম্ভব সূরা ফালাক তিলাওয়াত করুন।
তিলাওয়াতের পূর্বে নিয়ত করুন:
হে আল্লাহ! আমার শরীর থেকে সকল প্রকারের যাদুর বাঁধন ও গিঁটগুলো খুলে দিন।
বিশেষ করে ৪নং আয়াত তিলাওয়াতকালে অর্থের দিকে মনোযোগ দিন এবং আয়াতটি বারবার রিপিট করুন।
অতিরিক্ত পদক্ষেপ
- সুযোগ থাকলে শরীর ম্যাসেজ করতে করতে পড়ুন
- বা অন্য কেউ পড়ে পড়ে ফুঁ দিবে এবং ম্যাসেজ করবে
- অথবা গিঁট নষ্ট করার রুকইয়াহ অডিও শুনবেন এবং ম্যাসেজ নিবেন
মনে রাখুন: ধৈর্য ধরুন। কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ ফল পাবেন।