কয়েকজন নবীকে আল্লাহ পাক দীর্ঘ একটা সময় নিঃসন্তান রেখে পরীক্ষা করেছেন। ধৈর্যের দীর্ঘ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে লম্বা সময়ের দোয়ার মাধ্যমে তাঁরা সন্তান লাভ করেছিলেন।
অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে যে, যে বাক্যের দোয়া ইতিপূর্বে কবুল হয়েছে — পরবর্তীতেও হুবহু উক্ত বাক্যে দোয়া করা হলে তা কবুল হওয়ার বেশি আশা করা যায়।
হযরত যাকারিয়া (আ.) এর দোয়া
হযরত যাকারিয়া (আ.) এর স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা। বৃদ্ধ বয়সে এসে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন:
সূরা আম্বিয়া — ৮৯ নং আয়াত
এই দোয়ার প্রেক্ষিতেই আল্লাহ পাক তাঁর দোয়া কবুল করে ইয়াহইয়া (আ.) দান করলেন এবং তাঁর স্ত্রীকে সুস্থ করে দিলেন।
সূরা আলে ইমরান — ৩৮ নং আয়াত
দোয়া কবুলের শর্তাবলী
কুরআনে বর্ণিত এই গুণাবলী রক্ষা করা জরুরি:
- আল্লাহর নিকট বিনীত হওয়া
- কাকুতি-মিনতি সহকারে প্রার্থনা করা
- সৎকাজে প্রতিযোগিতা করা
- আশা ও ভীতির সাথে তাঁকে ডাকা
আমল পদ্ধতি
আয়াতগুলো পড়ার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা বিশেষ পদ্ধতি নেই। তবে প্রতি ফরজ নামাজের পরে অর্থের দিকে খেয়াল রেখে, দোয়ার নিয়তে যত বেশি সংখ্যক বার সম্ভব নিয়মিত আয়াতগুলো তিলাওয়াত করুন।
প্রত্যেক নিঃসন্তান দম্পতিকে আল্লাহ পাক সন্তান দিয়ে তাদের চোখের শীতলতা দান করুন। আমীন।