জ্বীন আছরের বিভিন্ন ধরণ হতে পারে। জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগী চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করবে — বিষয়টি সবসময় এমন নাও হতে পারে।
চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করা জ্বীন আক্রান্তের একটি ধরণ ও লক্ষণ মাত্র।
অজানা আছর
এমনও হতে পারে যে, কেউ জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত — কিন্তু বাহ্যিক কোনো সমস্যা পরিলক্ষিত না হওয়ায় তার পরিবার বা আশপাশের মানুষ তো দূরের কথা — বিষয়টি সে নিজেই উপলব্ধি করতে পারছে না।
অথচ ভিতরে ভিতরে এ কারণে তার শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিকসহ বিভিন্ন ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।
জ্বীন জগত ও মানুষের অজ্ঞানতা
জ্বীন জগত বিষয়ক কম জ্ঞান থাকায় সাধারণ মানুষ এগুলোর সাথে জ্বীনে আক্রান্ত হওয়ার কানেকশন খুঁজে পায় না।
অথচ শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিকসহ পৃথিবীতে এমন কোনো সমস্যা বা রোগ-ব্যাধি নেই যা জ্বীনদের কারণে ঘটা সম্ভব নয়।
তবে তার মানে এই নয় যে, এ সকল সমস্যা জ্বীনদের কারণেই ঘটে। বরং এ সকল সমস্যা বা রোগ সৃষ্টির যতগুলো কারণ থাকতে পারে — ‘জ্বীনে আক্রান্ত হওয়াও তার মধ্যে একটি।‘
অ্যাটেনডেন্টেরও জ্বীন!
এমন বহুবার হয়েছে যে, রোগীর সাথে আসা অ্যাটেনডেন্ট রোগীর উদ্দেশ্যে করা তিলাওয়াত শুনেই পজেসড হয়ে গিয়েছে এবং অল্প কিছুক্ষণ তিলাওয়াত করতেই তার জ্বীন হাজির হয়ে গিয়েছে।
অথচ সে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি যে, সে জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত। বরং সে এসেছিল অন্যজনকে ট্রিটমেন্ট করাতে!
জ্বীন আছরের প্রকারভেদ
১. স্থায়ী পজেশন — জ্বীন সর্বদা রোগীর মধ্যে অবস্থান করে ২. মাঝে মাঝে পজেশন — মাঝে মাঝে শরীরে প্রবেশ করে ৩. বাহ্যিক প্রভাব — শরীরে না থেকেও বাইরে থেকে ক্ষতি করে ৪. স্বপ্নে আক্রমণ — ঘুমের মধ্যে কষ্ট দেয় ৫. মানসিক প্রভাব — চিন্তায়, মানসিক অবস্থায় প্রভাব বিস্তার করে
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহর মাধ্যমে নিশ্চিত হোন কোন ধরণের আছরে ভুগছেন।