কেস স্টাডি

তথাকথিক বিজ্ঞান বনাম কুরআন

মানসিক হাসপাতালে মাসের পর মাস বিফল চিকিৎসা — রুকইয়াহতে একটি সেশনেই সুস্থ। কুরআন দিয়ে বিজ্ঞান মাপুন, বিজ্ঞান দিয়ে কুরআন নয়।

“যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়।” (সূরা বাকারা, ২৭৫)

উপরের আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট প্রমাণিত যে — জ্বীনের আছরের কারণে মানুষ পাগল হতে পারে।


বাস্তব কেস স্টাডি

বছর দুয়েক আগে একটি মেয়ে রোগীর চিকিৎসা করেছিলাম। সে মানসিক বিশেষজ্ঞের অধীনে চিকিৎসারত ছিল। লাগাতার ৬ মাস ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল — বেশিরভাগ সময়ই ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হতো।

রোগীর মা, ভাই এবং মামা অচেতন অবস্থায় আমার কাছে নিয়ে এসেছিল।

প্রথম সেশন রুকইয়াহ করার পরেই সে সজ্ঞানে নিজ পায়ে হেঁটে সেন্টার থেকে বাড়ি গিয়েছে। সেদিন থেকেই মানসিক ডাক্তারের ওষুধ বন্ধ করতে বলেছি। আজ পর্যন্ত বিনা ওষুধেই দিব্যি সুস্থ।


রোগের মূল কারণ

মেয়েটি ছিল কবরের যাদুতে আক্রান্ত। যাদু কার্যকর করার জন্য নিয়োজিত জ্বীনটা দীর্ঘদিন শরীরে অবস্থান করতে করতে রক্তের আশিক হয়ে গিয়েছিল। সুযোগ পেলেই রোগী ব্লেড নিয়ে হাত কেটে রক্ত বের করত।

আল্লাহর রহমতে রোগীর অভিভাবক ধৈর্যের সাথে পরামর্শ মেনে চলেছেন। রোগী এখন পূর্ণ সুস্থ — আলহামদুলিল্লাহ।


উপসংহার

ঝাড়-ফুঁককে (কুরআন-সুন্নাহ সমর্থিত পদ্ধতিতে) অবৈজ্ঞানিক বলা মূর্খতা ও কুরআন অস্বীকারের নামান্তর।

ভুলে ভরা বারবার থিওরি পরিবর্তনকারী বিজ্ঞান দিয়ে কুরআনকে নয় — শত চেষ্টায় হাজার বছরে যার একটি শব্দও ভুল প্রমাণ করা যায়নি, সেই অপরিবর্তিত কুরআন দিয়ে বিজ্ঞানকে মাপুন।